• Breaking News

    রোগ নিয়ে ভাবছেন? ভাবছেন কোথায় কি চিকিৎসা করবেন, আদো ভালো চিকিৎসা পাবেন তো? চিন্তা নেই, ভালো ও মানম্মত চিকিৎসা দেয়ার জন্য আমরা আপনার পাশেই আছি। স্বল্প খরছে উত্তম চিকিৎসা পেতে এখনই চলে আসুন ''শেফা হোমিও সেন্টার" 2.আরবি ব্যাকরণ শিক্ষার এক আরবি ব্যাকরণ শিক্ষার এক অভিনব কৌশল জেনে নিন পর্ব ০২ ( حركة এর পরিচিতি ) 3.আরবি ব্যাকরণ শিক্ষার এক অভিনব কৌশল জেনে নিন পর্ব ০৩ ( متحرك এর পরিচিতি ) 4. আরবি ব্যাকরণ শিক্ষার এক অভিনব কৌশল জেনে নিন পর্ব ০৪ ( ساكن سكون - এর পরিচিতি ) 5.আরবি ব্যাকরণ শিখার এক অভিনব কৌশল জেনে পর্ব ০৫ ( لفظ এর পরিচিতি ) 6.How to learn Arabic 2nd part in Bangla tutorial part 06 7.How to learn Arabic 2nd part in Bangla tutorial part 07 8.How to learn Arabic 2nd part in Bangla tutorial part 08 9.How to learn Arabic 2nd part in Bangla tutorial part 08 01 10.How to learn Arabic 2nd part in Bangla tutorial part__09 (علامة الفعل এর প্রাসঙ্গিক আলোচনা) 11.How to learn Arabic 2nd part in Bangla tutorial part__010 ( علامة الفعل আলোচনা) 12.How to learn Arabic 2nd part in Bangla tutorial part__11 ( اقسام الاسم من حيث التعيين وغير التعيين) 13.How to learn Arabic 2nd part in Bangla tutorial part - 012 ( اقسام المعرفة এর আলোচনা) 14.How to learn Arabic 2nd part in Bangla tutorial part_013 ( اقسام المضمرات ) 15.How to learn Arabic 2nd part in Bangla tutorial part__014 ( اسماء الاشارات এর আলোচনা) 16.How to learn Arabic 2nd part in Bangla tutorial part__15 ( اسماء الموصولات এর আলোচনা) Thans

    ডা. মাও. শফিকুল ইসলাম (এম এ) ইসলামিক আরাবিক ইউনিভার্সিটি, ঢাকা। ডি এইচ এম এস, বি এইচ বি- ঢাকা। যোগাযোগ- 01402-647662 শেফা হোমিও সেন্টার- -- উদয় সাধুরহাট, পশ্চিম বাজার, হাসপাতাল রোড, চরমটুয়া, সদর, নোয়াখালী।

    Thursday, April 26, 2018

    মধ্য রজনী বা নিসফে শা'বান

    কোরআন ও সুন্নাহর মানদণ্ডে শবে বরাত
    সংকলন ও সংগ্রহেঃ 
                   শফিকুল ইসলাম তাজেরী 

      
    শবে বরাত বা মধ্য শাবানের রজনী নিয়ে এই উপমহাদেশের মুসলমানদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ করা যায়। এ রাতের ফজিলতের মহাগুরুত্ব নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা আছে। তবে কোরআন-সুন্নাহর সঠিক জ্ঞানই এই পথ থেকে আমাদের মুক্তি দিতে পারে। আর এতে মুসলিম উম্মাহর বিভাজনের রেখা অনেকাংশেই মিটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 
    মাঝেমধ্যে দেখা যায়, সঠিক কোনো প্রমাণ না থাকলেও ইবাদতের শুরুতে মুসলিম সমাজে বিদয়াত চালু হয়েছে ব্যক্তিবিশেষের দোহাই দিয়ে। উদাহরণস্বরূপ কাউকে যদি বলা হয়, কেন তুমি এভাবে জিকর বা ইবাদত করছ? সে সঙ্গে সঙ্গে বলবে, অমুক অলি, অমুক পীরসাহেব, অমুক আলিম বা অমুক আকাবের করেছেন, তাই করি। সে এ কথা বলে না যে, আল্লাহ বলেছেন তাই করি, রাসুল  (সা.) বলেছেন, করেছেন বা সম্মতি দিয়েছেন, তাই করি বা অমুক সাহাবি করেছেন, তাই করি। সত্যিই এটি মহাপরিতাপের বিষয়। 
    এমনিভাবে মধ্য শাবানের রজনীকে (শবে বরাত) নিয়ে আমাদের সমাজে প্রচলিত কিছু আমল মুরুব্বিদের দোহাই দিয়ে চলছে, যাতে কোরআন ও সহিহ সুন্নাহর কোনো দলিল খুঁজে পাওয়া যায় না। 
    এখন শবে বরাত শব্দের বিশ্লেষণের দিকে যদি আমরা লক্ষ করি দেখব, ‘শবশব্দটি ফারসি, যার অর্থ রাত আর বরাতশব্দটি আরবি বারাআতশব্দ থেকে গৃহীত, যার অর্থ বিমুক্তকরণ, সম্পর্ক ছিন্ন করা, নির্দোষ প্রমাণিত হওয়া ইত্যাদি। সুতরাং শবে বরাত অর্থ বিমুক্তকরণ রজনী। যদিও আমাদের দেশে শবে বরাত অর্থ ভাগ্য রজনী। হাদিস শরিফে উল্লিখিত লাইলাতুন নিসফি মিন শাবানই ভারতীয় উপমহাদেশে শবে বরাত বলে পরিচিত। 
    এখন আল কোরআনের আলোকে শবে বরাত’-এর অনুসন্ধান করলে দেখব, কোরআনের কোথাও শবে বরাত বা মধ্য শাবনের রজনী প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে উল্লেখ নেই। কিন্তু অতিরঞ্জিতকারীরা আল কোরআনের সুরা দোখানের ৩ নম্বর আয়াত দিয়ে শবে বরাত প্রমাণের ব্যর্থ প্রয়াস চালান। আয়াতটি হলো, ‘ইন্না আনজালনাহু ফি লাইলাতিম মোবারাকাতিন ইন্না কুন্না মুনজিরিন’, অর্থ : নিশ্চয়ই আমি এটি (আল কোরআন) এক বরকত ও কল্যাণময় রাতে নাজিল করেছি। নিশ্চয়ই আমি তো (জাহান্নাম থেকে) সতর্ককারী। অধিকাংশ আলিম বলেছেন, ‘লাইলাতুম মোবারাকাহহলো লাইলাতুল কদর
    কেউ কেউ বলেছেন, তা হলো মধ্য শাবানের রজনী। তবে এ মতটি কোরআনের দলিল দ্বারাই বাতিল হয়ে যায়। কারণ, মহান রাব্বুল আলামিন মহাগ্রন্থ আল কোরআনের সুরা বাকারার ১৮৫ নম্বর আয়াতে বলেন, রামাদান মাস, যার মধ্যে আল কোরআন নাজিল করা হয়েছে, যা মানবজাতির জন্য পুরোপুরি হিদায়াত।
    এই আয়াতটি দ্ব্যর্থহীনভাবে জানাচ্ছে যে, কোরআন অবতীর্ণ হওয়ার সময় রামাদান মাস আর সুরা দোখানের এই আয়াতে কোরআন অবতীর্ণ হওয়ার সময় জানিয়ে বলা হয়েছে, ‘লাইলাতুম মোবারাকাহ। কাজেই কেউ যদি মনে করে যে, এই লাইলাতুম মোবারাকাহ হলো রামাদান ছাড়া অন্য মাসে, তাহলে সে আল্লাহর নামে তাহা ডাহা মিথ্যা বানিয়ে বলল। 
    এই আয়াতের ব্যাখ্যায় বিখ্যাত তাফসিরকারক আল্লামা কুরতুবি (র.) বলেন, ‘লাইলাতুম মোবারাকাহ হলো লাইলাতুল কদর।
    আল্লামা ইবনে কাসির (র.) বলেন, ইকরিমা থেকে বর্ণিত হয়েছে যে বরকতময় রাতটি শাবানের মধ্যম রজনী। এ মতটি একটি অসম্ভব ও অবাস্তব মত। কারণ, কোরআনে দ্ব্যর্থহীনভাবে বলা হয়েছে যে, এ রাতটি রামাদানের মধ্যে। 
    আল্লামা আশরাফ আলী থানবী (র.) বলেন, অধিকাংশ তাফসিরকারকই লাইলাতুম মোবারাকাহকে লাইলাতুল কদর বলে তাফসির করেছেন এবং এ সম্বন্ধে হাদিসও যথেষ্ট রয়েছে। আর কেহ কেহ লাইলাতুম মোবারাকাহর তাফসির করেছেন শবে বরাত। যেহেতু শবে বরাতে কোরআন নাজিল হয়েছে বলে কোনো রেওয়ায়াত নেই এবং শবে কদরে নাজিল হয়েছে বলে আয়াতে উল্লেখ করা হয়েছে, সেহেতু শবে বরাত বলে লাইলাতুম মোবারাকাহ-এর তাফসির করা শুদ্ধ নয় বলে মনে হয়। 
    অন্যদিকে, হাদিস জগতের সবচেয়ে বিশুদ্ধতম গ্রন্থ বুখারি ও মুসলিম শরিফে লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান নিয়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায় না। তবে সিহাহ সিত্তার অন্যান্য গ্রন্থে এ সম্পর্কে একাধিক হাদিস পাওয়া যায়। 
    যেমনইবনে মাজাহর ১৩৮৮ নম্বর হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে, রাসুল (সা.) বলেছেন, যখন মধ্য শাবানের রজনী আসে, তখন তোমরা রাতে দণ্ডায়মান থাকো এবং দিবসে সিয়াম পালন করো। কারণ, ওই দিন সূর্যাস্তের পর মহান আল্লাহ দুনিয়ার আকাশে অবতরণ করেন এবং বলেন, কোনো ক্ষমা প্রার্থনাকারী আছে কি? আমি তাকে ক্ষমা করে দেব। কোনো রিজিক তালাশকারী আছে কি? আমি তাকে রিজিক প্রদান করব। কোনো দুর্দশাগ্রস্ত ব্যক্তি আছে কি? আমি তাকে মুক্ত করব। এভাবে সুবহে সাদিক উদয় পর্যন্ত চলতে থাকে। হাদিসের ইমামদের মত অনুযায়ী, এই হাদিস অত্যন্ত দুর্বল।
    কিন্তু বুখারি ও মুসলিম শরিফে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আমাদের প্রতিপালক প্রতি রাতের শেষ এক-তৃতীয়াংশ বাকি থাকতে দুনিয়ার আকাশে অবতরণ করে বলেন, আমাকে ডাকার কেউ আছে কি? আমি তার ডাকে সাড়া দেব। আমার কাছে চাওয়ার কেউ আছে কি? আমি তাকে তা প্রদান করব। আমার কাছে ক্ষমা চাওয়ার কেউ আছে কি? আমি তাকে ক্ষমা করব। 
    বুখারি ও মুসলিমের এই হাদিস দ্বারা বোঝা যাচ্ছে যে, মুমিনের প্রতি রাতই ফজিলতপূর্ণ। অনুরূপভাবে সিহাহ সিত্তার অন্যতম হাদিসগ্রন্থ তিরমিজি শরিফে উল্লেখ রয়েছে, হজরত আয়েশা সিদ্দিকা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক রাতে আমি রাসুলুল্লাহ (সা.) খুঁজে পেলাম না। তখন বের হয়ে দেখি, তিনি জান্নাতুল বাকিতে আকাশের দিকে মাথা উঁচু করে রয়েছেন। তিনি বললেন, তুমি কি আশঙ্কা করছিলে যে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল তোমার ওপর অবিচার করবেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল (সা.), আমি ধারণা করেছিলাম যে আপনি আপনার অন্য কোনো স্ত্রীর নিকট গমন করছেন। অতঃপর তিনি বলেন, নিশ্চয়ই মহিমান্বিত পরাক্রান্ত আল্লাহ মধ্য শাবানের রাতে দুনিয়ার আকাশে অবতরণ করেন। অতঃপর তিনি কালব গোত্রের মেষপালের পশমের অধিক সংখ্যককে ক্ষমা করেন।’ 
    ইমাম বুখারি (রা.) ওই হাদিসটিকে দুর্বল বলে আখ্যায়িত করেছেন। তার পরও এ হাদিসে প্রিয় নবীর এ রাতের ইবাদতের যে পদ্ধতি জানা যায়, তা থেকে আমরা অনেক দূরে সরে এসেছি।
    প্রিয় নবী (সা.) এই রাতে ইবাদত করেছেন, তাঁর সহধর্মিণী পর্যন্ত জানেন না। তাহলে বোঝা গেল, এ রাতে কেউ যদি ইবাদত করতে চায়, তাহলে তা করতে হবে ব্যক্তিগত, একাকী, নির্জনে, নিরিবিলি পরিবেশে।
    এ রাতের বিষয়ে চার ইমামের ভিন্ন ভিন্ন মত পাওয়া যায়। যেমনইমাম মালেক (র.) ও তাঁর অনুসারী ফকিহ ও ইমামগণ ওই রাতে বিশেষ ইবাদত পালন করতে নিষেধ করেছেন। ইমাম শাফেয়ী (র.)-এর মতে, এ রাতে ব্যক্তিগতভাবে একাকী নিজ গৃহের মধ্যে ইবাদত ও দোয়া মোনাজাতে থাকা মুস্তাহাব। ইমাম আবু হানিফা (র.) ও ইমাম আহমদ (র.) এ বিষয়ে কোনো সুস্পষ্ট মত ব্যক্ত করেননি। 
    একটি প্রশ্ন রাখতে চাই আলেমদের কাছে, তা হলো, একশ শবে বরাতের আমল একটি ফরজের সমান হবে কি? উত্তর আসবে, অবশ্যই না। তাহলে আসুন, এ রাতের ফজিলত ও মর্যাদা নিয়ে বাড়াবাড়ি না করে ব্যক্তিগতভাবে একাকী নিজ গৃহে ইবাদতের ক্ষেত্রে কাউকে কটাক্ষ না করে, মুসলিম মিল্লাতকে ঐক্যের পথে পরিচালিত করি। 
    আরো দেখতে চাইলে আমাদের সাথে থাকুন। 

    No comments:

    Post a Comment

    https://youtu.be/VcJOqS8DnPI?list=PLFfvyX7t1kB5E9lmwz5vHWfrlo-NOaMog
    https://www.youtube.com/watch?v=VMkjFEmLiFI&list=PLFfvyX7t1kB5E9lmwz5vHWfrlo-NOaMog&index=2
    https://www.youtube.com/watch?v=LCaY6WJJAsw

    ডা. মাও. শফিকুল ইসলাম (এম এ) ইসলামিক আরাবিক ইউনিভার্সিটি, ঢাকা। ডি এইচ এম এস, বি এইচ বি- ঢাকা।

    সফলতার জন্য আসুন, চিকিৎসা নিন সুস্থ থাকুন। যোগাযোগ- 01402-647662 শেফা হোমিও সেন্টার- -- উদয় সাধুরহাট, পশ্চিম বাজার, হাসপাতাল রোড, চরমটুয়া, সদর, নোয়াখালী।

    শেফা হোমিও সেনটার

    উদয় সাধুরহাট, চরমটুয়া, সদর, নোয়াখালী। E-mail: shefahomeo.2023@gmail.com